Tech Land BD Logo
Office Use-এর জন্য সেরা ৫টি Printer

Office Use-এর জন্য সেরা ৫টি Printer

Article Jul 26, 2026 3

অফিসের জন্য প্রিন্টার কেনা প্রথম দেখায় সহজ মনে হলেও, বাস্তবে এটা একটা চিন্তাভাবনা করে নেওয়ার মতো সিদ্ধান্ত। ইঙ্কজেট নাকি লেজার, কালার প্রিন্টিং দরকার নাকি শুধু ব্ল্যাক-হোয়াইট, প্রতি মাসে কত পাতা প্রিন্ট হবে, কার্তুজের খরচ কেমন পড়বে এই প্রশ্নগুলোর উত্তর না জেনে কিনলে পরে আফসোস করতে হতে পারে। অনেক অফিসেই দেখা যায়, শুরুতে সস্তা একটা প্রিন্টার কিনে ফেলার পর কয়েক মাসের মধ্যেই কার্তুজের খরচে পকেট খালি হয়ে যাচ্ছে, অথবা প্রিন্টার ঘন ঘন নষ্ট হয়ে কাজের গতি ব্যাহত করছে। কর্মীরা যখন প্রতিদিন প্রিন্টার নিয়ে সমস্যায় পড়েন, তখন সেটা শুধু বিরক্তিকরই না, বরং প্রোডাক্টিভিটির উপরও সরাসরি প্রভাব ফেলে। আজকের লেখায় ২০২৬ সালে বাংলাদেশে অফিস ব্যবহারের জন্য জনপ্রিয় ৫টা প্রিন্টার মডেল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব, যাতে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হয় এবং ভবিষ্যতে অপ্রয়োজনীয় খরচ এড়ানো যায়।

অফিসের জন্য প্রিন্টার কেনার আগে যা জানা দরকার

প্রথমেই বুঝে নেওয়া দরকার ইঙ্কজেট ও লেজার প্রিন্টারের মধ্যে পার্থক্য। ইঙ্কজেট প্রিন্টার তরল কালি ব্যবহার করে প্রিন্ট করে, যা ছবি বা রঙিন গ্রাফিক্সের জন্য ভালো, কিন্তু নিয়মিত ভারী প্রিন্টিংয়ে কালি খরচ বেশি হতে পারে যদি না ইঙ্ক ট্যাংক সিস্টেম থাকে। লেজার প্রিন্টার টোনার ব্যবহার করে, যা টেক্সট-ভারী ডকুমেন্ট দ্রুত ও সাশ্রয়ীভাবে প্রিন্ট করার জন্য বিশেষভাবে উপযোগী, বিশেষ করে যেসব অফিসে প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে কাগজপত্র প্রিন্ট করতে হয়। দ্বিতীয় বিষয় হলো প্রতি মাসে আনুমানিক কত পাতা প্রিন্ট হবে তা হিসাব করে নেওয়া ।

অল্প ব্যবহারের জন্য বেসিক ইঙ্কজেট যথেষ্ট, কিন্তু ভারী ব্যবহারের জন্য উচ্চ ক্ষমতার লেজার প্রিন্টার বা ইঙ্ক ট্যাংক প্রিন্টার বেশি লাভজনক। তৃতীয় বিষয় হলো কানেক্টিভিটি শুধু USB নাকি Wi-Fi/নেটওয়ার্ক প্রিন্টিং সাপোর্ট আছে, কারণ অফিসে একাধিক কম্পিউটার থেকে একই প্রিন্টার ব্যবহার করতে হলে নেটওয়ার্ক কানেক্টিভিটি প্রায় অপরিহার্য। সবশেষে, মাল্টিফাংশন (প্রিন্ট, স্ক্যান, কপি একসাথে) নাকি শুধু প্রিন্ট করে তাও বিবেচনায় রাখা উচিত, কারণ আলাদা স্ক্যানার কেনার চেয়ে একটা মাল্টিফাংশন প্রিন্টার অনেক সময় জায়গা ও বাজেট দুটোই সাশ্রয় করে।

Epson EcoTank L3250

Epson-এর EcoTank সিরিজ বাজারে এসে ইঙ্কজেট প্রিন্টিংয়ের খরচের হিসাবটাই বদলে দিয়েছে। L3250 মডেলে আলাদা কার্তুজের বদলে বড় ইঙ্ক ট্যাংক থাকে, যা রিফিল করে বারবার ব্যবহার করা যায় এবং প্রতি পাতার প্রিন্টিং খরচ ঐতিহ্যবাহী কার্তুজ-ভিত্তিক প্রিন্টারের তুলনায় অনেক কম। এই মডেলে প্রিন্ট, স্ক্যান ও কপি এই তিনটা কাজই একসাথে করা যায়, এবং Wi-Fi কানেক্টিভিটি থাকায় একাধিক ডিভাইস থেকে সহজেই প্রিন্ট পাঠানো যায়। যেসব অফিসে নিয়মিত প্রচুর পরিমাণে প্রিন্টিং হয়, বিশেষ করে রঙিন ডকুমেন্ট বা প্রেজেন্টেশন, তাদের জন্য এই মডেল দীর্ঘমেয়াদে উল্লেখযোগ্য খরচ বাঁচাতে সাহায্য করে। প্রাথমিক কেনার খরচ কিছুটা বেশি মনে হলেও, কয়েক মাসের মধ্যেই কালি রিফিলের সাশ্রয়ী খরচের কারণে এই বাড়তি বিনিয়োগ পুষিয়ে যায়।

Pantum P3010DW

Pantum তুলনামূলক নতুন একটা ব্র্যান্ড হলেও বাজেট-বান্ধব লেজার প্রিন্টার সেগমেন্টে দ্রুত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। P3010DW একটা মনোক্রোম (শুধু ব্ল্যাক-হোয়াইট) লেজার প্রিন্টার, যা মূলত টেক্সট-ভারী ডকুমেন্ট দ্রুত ও স্পষ্টভাবে প্রিন্ট করার জন্য ডিজাইন করা। "DW" নামটা ইঙ্গিত দেয় এতে ডুপ্লেক্স (দুই পাশে প্রিন্ট) ও ওয়্যারলেস কানেক্টিভিটি সুবিধা আছে, যা কাগজ সাশ্রয় ও নেটওয়ার্ক প্রিন্টিং দুটোর জন্যই উপযোগী। যেসব অফিসে মূলত টেক্সট ডকুমেন্ট, রিপোর্ট বা চুক্তিপত্র প্রিন্ট করতে হয় এবং রঙিন প্রিন্টিংয়ের প্রয়োজন কম, তাদের জন্য এই মডেল একটা সাশ্রয়ী ও কার্যকর সমাধান। কম দামের প্রিন্টার হলেও প্রিন্ট স্পিড ও গুণমানের দিক থেকে এটা প্রতিষ্ঠিত ব্র্যান্ডের তুলনামূলক দামি মডেলগুলোর সাথে ভালোভাবেই প্রতিযোগিতা করতে পারে।

Brother DCP-B7620DW

Brother দীর্ঘদিন ধরেই অফিস প্রিন্টার সেগমেন্টে একটা নির্ভরযোগ্য নাম হিসেবে পরিচিত। DCP-B7620DW একটা মাল্টিফাংশন মনোক্রোম লেজার প্রিন্টার, যেখানে প্রিন্ট, স্ক্যান ও কপি এই তিনটা ফিচারই একসাথে পাওয়া যায়। Brother-এর প্রিন্টারগুলো সাধারণত উচ্চ ডিউটি সাইকেল (মাসে অনেক বেশি পাতা প্রিন্ট করার সক্ষমতা) সাপোর্ট করে, যা মাঝারি থেকে বড় অফিসের জন্য উপযোগী। ডুপ্লেক্স প্রিন্টিং ও ওয়্যারলেস কানেক্টিভিটি থাকায় এই মডেলও আধুনিক অফিস পরিবেশের সাথে ভালোভাবে মানিয়ে যায়। Brother-এর টোনার কার্তুজও তুলনামূলক দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায়, ঘন ঘন কার্তুজ পরিবর্তনের ঝামেলা কম থাকে। এছাড়া Brother-এর সার্ভিস নেটওয়ার্ক বাংলাদেশে বেশ বিস্তৃত, তাই কোনো টেকনিক্যাল সমস্যা হলেও দ্রুত সমাধান পাওয়া তুলনামূলক সহজ।

Canon imageCLASS MF3010

Canon-এর imageCLASS সিরিজ ছোট থেকে মাঝারি অফিসের জন্য একটা জনপ্রিয় পছন্দ। MF3010 একটা কমপ্যাক্ট মাল্টিফাংশন লেজার প্রিন্টার, যা প্রিন্ট, স্ক্যান ও কপি করতে পারে, তবে আকারে ছোট হওয়ায় সীমিত জায়গার অফিস বা ছোট ডেস্কে সহজেই বসানো যায়। Canon-এর প্রিন্ট কোয়ালিটি ঐতিহ্যগতভাবে বেশ প্রশংসিত, বিশেষ করে টেক্সট শার্পনেসের ক্ষেত্রে। এই মডেলটা মূলত ছোট অফিস, হোম অফিস বা যেসব ব্যবসায় প্রিন্টিংয়ের চাহিদা মাঝারি মানের, তাদের জন্য উপযুক্ত। বড় অফিসের জন্য এটা যথেষ্ট নাও হতে পারে, তবে সীমিত বাজেট ও জায়গার মধ্যে ভালো পারফরম্যান্স খুঁজলে এটা একটা যুক্তিসঙ্গত পছন্দ, বিশেষ করে যারা প্রথমবার অফিস প্রিন্টার কিনছেন এবং খুব বেশি ফিচারের প্রয়োজন নেই তাদের জন্য। কমপ্যাক্ট আকারের কারণে যেসব ছোট ব্যবসা বা ফ্রিল্যান্সার বাসা থেকে কাজ করেন, তাদের জন্যও এই মডেল বেশ উপযোগী।

HP DeskJet Ink Advantage 2875

HP-এর DeskJet Ink Advantage সিরিজ দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশের হোম ও ছোট অফিস ব্যবহারকারীদের মধ্যে পরিচিত একটা নাম। 2875 মডেল একটা মাল্টিফাংশন ইঙ্কজেট প্রিন্টার, যেখানে প্রিন্ট, স্ক্যান ও কপি একসাথে পাওয়া যায়, সাথে কালার প্রিন্টিং সাপোর্টও আছে। যাদের মাঝেমধ্যে রঙিন প্রেজেন্টেশন বা ছবি প্রিন্ট করার প্রয়োজন হয়, তাদের জন্য এই মডেল সুবিধাজনক। তবে ঐতিহ্যবাহী কার্তুজ-ভিত্তিক ইঙ্কজেট প্রিন্টার হওয়ায়, নিয়মিত ভারী প্রিন্টিংয়ে কালি খরচ EcoTank সিরিজের তুলনায় বেশি পড়তে পারে। যাদের প্রিন্টিংয়ের চাহিদা মাঝারি বা হালকা, এবং মাঝেমধ্যে কালার প্রিন্ট প্রয়োজন হয়, তাদের জন্য এই মডেল একটা সাশ্রয়ী শুরুর পয়েন্ট। HP ব্র্যান্ডের প্রতি সাধারণ ভোক্তাদের আস্থা তুলনামূলক বেশি থাকায়, যারা পরিচিত ব্র্যান্ড খুঁজছেন তাদের জন্যও এটা একটা স্বাভাবিক ভাবে পছন্দ।

প্রিন্টার যেভাবে বেছে নেবেন

যেসব অফিসে নিয়মিত প্রচুর পরিমাণে প্রিন্টিং হয় এবং কালার প্রিন্টিংও প্রয়োজন, তাদের জন্য Epson EcoTank L3250 সবচেয়ে ভালো দীর্ঘমেয়াদি সমাধান, কারণ প্রতি পাতার খরচ সবচেয়ে কম।

যেসব অফিসে মূলত টেক্সট ডকুমেন্ট প্রিন্ট হয় এবং বাজেট সীমিত, তাদের জন্য Pantum P3010DW একটা সাশ্রয়ী অপশন।

মাঝারি থেকে বড় অফিসের জন্য, যেখানে উচ্চ ভলিউম প্রিন্টিং ও নির্ভরযোগ্যতা গুরুত্বপূর্ণ, সেখানে Brother DCP-B7620DW বেশি উপযুক্ত।

ছোট অফিস বা সীমিত জায়গার জন্য Canon imageCLASS MF3010 ভালো ফিট।

আর যাদের মাঝেমধ্যে কালার প্রিন্টিং প্রয়োজন এবং প্রিন্টিং ভলিউম কম-মাঝারি, তাদের জন্য HP DeskJet Ink Advantage 2875 একটা সহজ ও সাশ্রয়ী পছন্দ।

সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অফিসের সব কর্মীর সাথে আলোচনা করে প্রকৃত প্রিন্টিং প্রয়োজন যাচাই করে নেওয়াও একটা ভালো অভ্যাস, যাতে কেনার পর কোনো অতৃপ্তি না থাকে।

প্রিন্টার দীর্ঘদিন ভালো রাখার কিছু টিপস

শুধু ভালো প্রিন্টার কিনলেই হবে না, সঠিক যত্ন নিলে প্রিন্টার অনেক বছর ভালো সার্ভিস দেয়। নিয়মিত ব্যবহার না হলেও মাসে অন্তত একবার প্রিন্টার চালু করে একটা টেস্ট প্রিন্ট দেওয়া ভালো, কারণ দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকলে প্রিন্টহেড বা নজল শুকিয়ে ব্লক হয়ে যেতে পারে, বিশেষ করে ইঙ্কজেট প্রিন্টারে। ধুলাবালি থেকে বাঁচাতে প্রিন্টার ব্যবহার না হলে ঢেকে রাখা ভালো। অরিজিনাল কালি বা টোনার ব্যবহার করা উচিত, কারণ নকল বা রিফিল কালি প্রিন্টহেড নষ্ট করে দিতে পারে এবং প্রিন্ট কোয়ালিটিও খারাপ হয়। কাগজের মানও গুরুত্বপূর্ণ খুব পাতলা বা ভেজা কাগজ ব্যবহার করলে প্রিন্টারের ভেতরে কাগজ আটকে যাওয়ার (paper jam) সমস্যা বাড়ে। নেটওয়ার্ক প্রিন্টার ব্যবহার করলে ফার্মওয়্যার নিয়মিত আপডেট রাখাও ভালো অভ্যাস, কারণ এতে নিরাপত্তা ও সামঞ্জস্যতা উন্নত থাকে।

কেনার আগে যা যাচাই করবেন

  • অফিসের মাসিক প্রিন্টিং ভলিউম হিসাব করে সেই অনুযায়ী প্রিন্টার বেছে নিন, প্রয়োজনের চেয়ে অতিরিক্ত ক্ষমতার প্রিন্টার কিনলে অপ্রয়োজনীয় খরচ হতে পারে
  • ইঙ্কজেট নাকি লেজার- নিজের প্রিন্টিং ধরন (রঙিন নাকি টেক্সট-ভারী) অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিন
  • Wi-Fi বা নেটওয়ার্ক প্রিন্টিং সাপোর্ট আছে কিনা যাচাই করুন, একাধিক ডিভাইস থেকে ব্যবহার করতে হলে এটা জরুরি
  • প্রতি পাতার প্রিন্টিং খরচ (কালি/টোনারের দাম ভাগ করে) হিসাব করে দেখুন, শুধু প্রিন্টারের দাম দেখে সিদ্ধান্ত না নিয়ে
  • ডুপ্লেক্স প্রিন্টিং সাপোর্ট আছে কিনা দেখুন, কাগজ সাশ্রয়ে সাহায্য করে
  • অফিসিয়াল ওয়ারেন্টি ও কার্তুজ/টোনারের স্থানীয় প্রাপ্যতা নিশ্চিত করুন
  • প্রিন্ট স্পিড (পেজ পার মিনিট) যাচাই করুন, বিশেষ করে যদি একসাথে অনেক পাতা প্রিন্ট করতে হয়
  • ভবিষ্যতে কর্মী সংখ্যা বাড়লে প্রিন্টার সেই বাড়তি চাপ সামলাতে পারবে কিনা তাও বিবেচনায় রাখুন

সঠিক অফিস প্রিন্টার কোথায় পাবেন

অফিসের প্রিন্টিং ভলিউম ও প্রয়োজন অনুযায়ী কোন মডেল উপযুক্ত তা ঠিক করার পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো এমন একটা শপ থেকে কেনা, যেখানে অরিজিনাল পণ্য, স্পষ্ট ওয়ারেন্টি ও কার্তুজ/টোনারের সহজলভ্যতা নিশ্চিত থাকে।

Techland BD-তে Epson, Pantum, Brother, Canon ও HP-সহ একাধিক ব্র্যান্ডের প্রিন্টার পাওয়া যায়, যেখানে বিক্রয়কর্মীদের সাথে সরাসরি কথা বলে অফিসের প্রয়োজন অনুযায়ী সবচেয়ে উপযুক্ত মডেল বেছে নেওয়া যায়। অফিসিয়াল ওয়ারেন্টি ও EMI সুবিধা থাকায় নিশ্চিন্তে কেনাকাটা করা যায়, এবং ভবিষ্যতে কোনো টেকনিক্যাল সমস্যা হলেও দ্রুত সার্ভিস সাপোর্ট পাওয়া যায়। একাধিক ব্র্যান্ড একই জায়গায় পাশাপাশি থাকায় বিভিন্ন মডেলের স্পেসিফিকেশন ও দাম সরাসরি তুলনা করাও সহজ হয়ে যায়। তাই ২০২৬ সালে অফিসের জন্য সঠিক প্রিন্টার বেছে নিতে Techland BD-এর কালেকশন একবার ঘুরে দেখতে পারেন।

প্রায়ই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

ইঙ্কজেট নাকি লেজার প্রিন্টার কোনটি অফিসের জন্য বেশি ভালো?

নিয়মিত ভারী টেক্সট প্রিন্টিংয়ের জন্য লেজার প্রিন্টার বেশি সাশ্রয়ী ও দ্রুত। রঙিন ছবি বা গ্রাফিক্স-ভারী প্রিন্টিংয়ের জন্য ইঙ্কজেট, বিশেষ করে ইঙ্ক ট্যাংক মডেল, বেশি উপযোগী।

নকল কার্তুজ বা টোনার ব্যবহার করলে কী ক্ষতি হতে পারে?

নকল কার্তুজ প্রিন্ট কোয়ালিটি খারাপ করে এবং প্রিন্টহেড বা ড্রামের স্থায়ী ক্ষতি করতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে প্রিন্টার পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা তৈরি করতে পারে।

অফিসের জন্য Original প্রিন্টার কোথা থেকে কিনতে পারি?

বাংলাদেশে অফিস ব্যবহারের জন্য Epson, Brother, Canon, HP, Pantum-সহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের অরিজিনাল প্রিন্টার Techland BD থেকে কিনতে পারেন। এখানে অফিসিয়াল ওয়ারেন্টিসহ বিভিন্ন বাজেটের প্রিন্টার পাওয়া যায়, ফলে নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী সহজেই সঠিক মডেল বেছে নেওয়া সম্ভব।

Discussion

0

Leave a Comment

No comments yet

Be the first to share your thoughts!